দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে আগামীকাল ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদী ও সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। মা ইলিশ রক্ষা ও মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় নিষেধাজ্ঞা সফল করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মৎস্য বিভাগ, জেলে, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বরিশাল সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে ‘মা ইলিশ রক্ষা ও টেকসই মৎস্যসম্পদ’ শীর্ষক জনসচেতনতামূলক সভায় এসব কথা বলা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ। আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) কাজী মো. ছোয়াইব, বিভাগীয় মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদ। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন কমে যেতে পারে। তাই প্রজননকালীন ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সুরক্ষা নিশ্চিত করা মানে আগামী দিনের মৎস্যসম্পদকে নিরাপদ রাখা। প্রজননের সময় মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে ইলিশের সংখ্যা কমে যেতে পারে। তাই এই সময়ের সংরক্ষণকে সাময়িক বিধিনিষেধ হিসেবে দেখলে চলবে না; এটি ভবিষ্যতের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু মৎস্যজীবী বা মৎস্য বিভাগের নয়। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণ—সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণই নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়নের চাবিকাঠি।
সভায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদ-নদীতে ইলিশ শিকার বন্ধ, মাছ পরিবহন ও বিপণন নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
যে আই